বুধবার, ২২ জুন ২০২২, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
অগ্নিদগ্ধ ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না বাহুবলের সেফু মিয়া মাধবপুরে বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন মাধবপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ লাইন টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতর অভিযোগ মাধবপুরে বৈকুন্ঠপুর চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ মাধবপুরে দুই সাংবাদিক কে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা নেপাল ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এ্যাওয়ার্ড পেলেন ১১ বাংলাদেশী মাধবপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের পরিচিতি ও আলোচনা সভা পুলিশের সোর্স কে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা পিএইচ.ডি. ডিগ্রী অর্জন করায় মুহাম্মদ আশরাফুল আলম হেলালকে সংবর্ধনা
নোটিশ ::
দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার সকল প্রতিনিধি ও গ্রাহকদের কে আমাদের ফেইজবুক ফেইজ  এ লাইক দিয়া আমাদের সাথে সংযুক্ত থাকার জন‌্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হল। আমাদের ফেইজবুক ফেইজ: https://www.facebook.com/habiganjerbani  অনুরুধ ক্রমে: নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী।

অগ্নিদগ্ধ ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না বাহুবলের সেফু মিয়া

রিপোর্টার / ১৪ বার
আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
অগ্নিদগ্ধ ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না বাহুবলের সেফু মিয়া
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন

হবিগঞ্জের বানী ডেস্ক:: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর মোবাইল ফোনে কল করে চাচার সঙ্গে কথা বলেন আল-আমিন (২২)। এরপর হঠাৎ তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও দেখে তাকে শনাক্ত করেন মা-বাবা।

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাগেরখাল গ্রামের সেফু মিয়ার ছেলে আল-আমিন। কাজ করতেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে। ফেসবুকে ভিডিওতে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দেখে তাকে চিনতে পারেন মা-বাবা। কিন্তু টাকা-পয়সা না থাকায় ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না।

আল-আমিনের মা সুজেনা বেগম বলেন, ‘ডিপোতে আগুন লাগার পর থেকে আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। রবিবার রাতে আমাদের এলাকার এক ছেলে ফেসবুকের ভিডিওতে দগ্ধ অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। ভিডিওটি দেখে আমার সন্তানকে চিনতে পারি। কিন্তু হাতে কোনও টাকা নেই। তাকে দেখতে কীভাবে সেখানে যাবো?’

বাবা সেফু মিয়া বলেন, ‘আগুন লাগার পরপরই আল-আমিন তার চাচা ফজলু মিয়ার ফোনে কল দিয়েছিল। তবে আগুন লেগে যাওয়ার খবর জানানোর পরই তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে আর যোগাযোগ হয়নি। ভিডিওতে তাকে দগ্ধ অবস্থায় দেখেছি। কোন হাসপাতালে ভর্তি আছে তাও জানি না। হাতে কোনও টাকা নেই যে সেখাবে যাবো।’

পুটিজুরী ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আল-আমিন পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। সম্প্রতি ফাহিম ও রাজিব নামে দুই বন্ধুর সঙ্গে কনটেইনার ডিপোতে গিয়ে কাজে যোগ দিয়েছিল। ঘটনার দিন রাতে শুধু আল-অমিনের ডিউটি ছিল। দুই বন্ধু দিনের ডিউটি করে বাসায় চলে গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওতে ছেলেকে দেখার পর থেকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা-বাবা। কিন্তু ভাড়ার টাকা না থাকায় তারা সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না।’

পুটিজুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুদ্দত আলী বলেন, ‘আল-আমিনের পরিবারের সদস্যরা টাকার অভাবে চট্টগ্রামে যেতে পারছেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের সহযোগিতা করবো।

সূত্র: সিলেট ভয়েস।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com