মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
অগ্নিদগ্ধ ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না বাহুবলের সেফু মিয়া মাধবপুরে বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন মাধবপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ লাইন টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতর অভিযোগ মাধবপুরে বৈকুন্ঠপুর চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ মাধবপুরে দুই সাংবাদিক কে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা নেপাল ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এ্যাওয়ার্ড পেলেন ১১ বাংলাদেশী মাধবপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের পরিচিতি ও আলোচনা সভা পুলিশের সোর্স কে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা পিএইচ.ডি. ডিগ্রী অর্জন করায় মুহাম্মদ আশরাফুল আলম হেলালকে সংবর্ধনা
নোটিশ ::
দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার সকল প্রতিনিধি ও গ্রাহকদের কে আমাদের ফেইজবুক ফেইজ  এ লাইক দিয়া আমাদের সাথে সংযুক্ত থাকার জন‌্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হল। আমাদের ফেইজবুক ফেইজ: https://www.facebook.com/habiganjerbani  অনুরুধ ক্রমে: নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী।

করোনার প্রভাবে ব্যস্ততা বাড়েনি মাধবপুরের কামারদের

লিটন পাঠান, মাধবপুর / ২৩১ বার
আপডেটের সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ব্যস্ততা বাড়েনি কামারপাড়াগুলোতে। হাতুড়ি পিটানো টুংটাং শব্দ মুখর নেই কামারপাড়ায়। লোহা পুড়িয়ে লাল করে পিটিয়ে দিনরাত দাড়ালো দা, বটি, ছুরি, চাপাতি তৈরীতে কোন ব্যস্থতা নেই কারিগরদের। এদিকে ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে তেমন বেচাকেনা না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন মাধবপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা।  তবে পুরনো অস্ত্রগুলোতে চলছে শান দেওয়ার কাজ।
কয়েকজন কামার জানান, বটি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়। দা, ছুরি প্রতিটি ৪৫ থেকে ২৭০ টাকা। হাড় কোপানো চাপাতি (স্পিংয়ের) কেজি প্রতি ৪৮০ থেকে ৫৭০ টাকায়, আর সাধারণ লোহার চাপাতির কেজি প্রতি ৩৫০ থেকে ৪৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়াও গরু জবাইয়ের ছুরি ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকা এবং ধার দেওয়ার স্টিল প্রতিটি ৪৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে ৭০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
সুলতানপুর গ্রামের কামারপাড়ার গোপাল কর্মকার বলেন, গত ৩৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি, প্রতি বছর এ সময় অনেক ব্যস্ত থাকি। দিন যত গড়াবে ব্যস্ততা বাড়বে। এ সময় প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করি, চলবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত। প্রতিবছরই কাজের ঝামেলায় ঈদের আগের দিন পর্যন্ত অর্ডার ফেরত দিতে হয়। এতে আমাদের আয়ও হয় অনেক। কিন্তু এ বছর করোনা সব থামিয়ে দিয়েছে।
এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদ মৌসুমে ক্রেতা সমাগম আগের মত বেশি না হওয়ায় কামাররা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন। অন্য সময়ের তুলনায় প্রত্যেকটা সরঞ্জামের দাম ৮০ থেকে ১২০ টাকা বেশি নিচ্ছেন।
বাজারে আসা ক্রেতা খোকন মিয়া বলেন, এখন প্রত্যেকটা ছুরি এবং বটির দাম বেশি নিচ্ছে, ঈদ আসলেই তারা এমনটা করে।
দাম বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে একজন কামার বলেন, আমরা টিন মেপে কয়লা কিনি। গত বছর কয়লার টিন ৩৫/৪০ টাকা হলেও এবার ৬০/৭০ টাকা। এ ছাড়া গত বছরের তুলনায় এ বছর স্প্রিংয়ের দামও বেশি। করোনার কারণে এবার কোরবানি কম হবে বলে মনে হচ্ছে। এ কারণে আমাদের কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছুতেই ভাটা পড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com