বুধবার, ২২ জুন ২০২২, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
অগ্নিদগ্ধ ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না বাহুবলের সেফু মিয়া মাধবপুরে বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন মাধবপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ লাইন টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতর অভিযোগ মাধবপুরে বৈকুন্ঠপুর চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ মাধবপুরে দুই সাংবাদিক কে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা নেপাল ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এ্যাওয়ার্ড পেলেন ১১ বাংলাদেশী মাধবপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের পরিচিতি ও আলোচনা সভা পুলিশের সোর্স কে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা পিএইচ.ডি. ডিগ্রী অর্জন করায় মুহাম্মদ আশরাফুল আলম হেলালকে সংবর্ধনা
নোটিশ ::
দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার সকল প্রতিনিধি ও গ্রাহকদের কে আমাদের ফেইজবুক ফেইজ  এ লাইক দিয়া আমাদের সাথে সংযুক্ত থাকার জন‌্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হল। আমাদের ফেইজবুক ফেইজ: https://www.facebook.com/habiganjerbani  অনুরুধ ক্রমে: নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী।

মাধবপুরে ফসলি জমি দখলের চেষ্টা

রিপোর্টার / ১৯৯ বার
আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০

মাধবপুর(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি।।

কৃষক জমি বিক্রি করতে না চাইলেও কি করে দখলে নিতে হয় তা দেখিয়ে দিলেন একটি মৎস খামারের মালিক। এমনটাই অভিযোগ করেছেন কৃষি জমির মালিক মোবারক হোসেন। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বানেশ্বর গ্রামের আশ্রাফ আলীর ছেলে।
পত্রিক সূত্রে পাওয়া জমির মালিক তিনি। এ ব্যপারে তিনি মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে মাধবপুর থানার উপ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম অভিযোগের সরজমিন তদন্ত করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও মোবারক উল্লার অভিযোগ সূত্রে জানাযায় বাড়ির পাশেই ১৪ শতকের একটি আমন রখম ভূমি রয়েছে। ভূমিতে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ধান চাষ করেন তিনি। কিন্ত জমিটির চার পাশেই একই গ্রামের একটি মৎস খামারের মালিক বাচ্চু মিয়ার ছেলে মোঃ মনিরুল ইসলাম ও নূর মোহাম্মদ রাজুর জমি রয়েছে। তারা দ্বীর্ঘ দিন ধরেই এ জমিটিও ক্রয় করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। কিন্ত জমির মালিক মোবারক জমি বিক্রিতে কখনো রাজি হয়নি।
এক পর্যায়ে খামারের মালিক ওই জমির পাশের জমিথেকে ড্রেজার বসিয়ে মাঠি খনন করে বিক্রি শুরু করে দেয়। উদ্যেশে একটাই জমি ভেঙ্গে গেলে বিক্রি করতে রাজি হবে মোবারক। কিন্তু তাতেও জমি বিক্রির না করার সিদ্ধান্তে অটল মোবারক। অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট। অভিযোগের পেক্ষিতে প্রশাসন ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জামাধি ধংশ করে দেয়। পূনরায় নতুন মেশিন বসিয়ে আবারো শুরু হয় মাঠি উত্তোলন । এক পর্যায়ে আরেকটি অভিযোগ করেন মোবারক। এর পরেও মাঠি উত্তোলন বন্ধ হয়নি। এদিকে জমিতে ছিল আধা পাকা ধান। মাঠি উত্তোলনের গভীরতা সৃষ্টি হওয়ায় ভেঙ্গে যায় মোবারকের জমি। জমির একাংশ ধান সহ বিলিয়ে যায় খনন করা পুকুরে।
এ ঘটনায় মোবারক অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন ধংশ করে দেয় ড্রেজার মেশিনসহ নানা সরঞ্চামাধি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com