সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
অগ্নিদগ্ধ ছেলেকে দেখতে সীতাকুণ্ডে যেতে পারছেন না বাহুবলের সেফু মিয়া মাধবপুরে বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন মাধবপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ লাইন টেকনিশিয়ানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতর অভিযোগ মাধবপুরে বৈকুন্ঠপুর চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ মাধবপুরে দুই সাংবাদিক কে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা নেপাল ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এ্যাওয়ার্ড পেলেন ১১ বাংলাদেশী মাধবপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের পরিচিতি ও আলোচনা সভা পুলিশের সোর্স কে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা পিএইচ.ডি. ডিগ্রী অর্জন করায় মুহাম্মদ আশরাফুল আলম হেলালকে সংবর্ধনা
নোটিশ ::
দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী পত্রিকার সকল প্রতিনিধি ও গ্রাহকদের কে আমাদের ফেইজবুক ফেইজ  এ লাইক দিয়া আমাদের সাথে সংযুক্ত থাকার জন‌্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হল। আমাদের ফেইজবুক ফেইজ: https://www.facebook.com/habiganjerbani  অনুরুধ ক্রমে: নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী।

মাধবপুরে বোনা আমনের আশায় বুক বেঁধেছেন কৃষক

লিটন পাঠান, মাধবপুর / ২৭৬ বার
আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে ফসল ঘরে তোলা কৃষকদের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়। তবে গেল বোরো মৌসুমে শিলাবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা এতটা বেশি ছিল- চোখের সামনে পাকা ধান নষ্ট হয়ে যেতে দেখা ছাড়া করার কিছুই ছিল না তাদের। এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হবিগঞ্জের মাধবপুরের ১১টি ইউনিয়নের কৃষকরা ব্যাপক রোপা ও বোনা আমনের চাষাবাদ করেছেন।

কৃষক ওয়াহাব মিয়া জানান, আমনের এ মৌসুমে অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত থাকেন তারা। কারণ এ সময় নেই শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় অথবা আগাম বন্যার ভয়। এ বছর আমন চাষাবাদের জন্য প্রকৃতি অনুকুলে রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান কৃষকরা।

উপজেলার পূর্ব মাধবপুর এলাকার মোহন মিয়া বলেন, এবার তিনি অন্য বছরের তুলনায় দ্বিগুন জমি চাষ করেছেন। এ পর্যন্ত আশানুরূপ ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুরাদপুর গ্রামের কৃষক এরশাদ আলী জানান, সঠিক সময়ে মাঠ থেকে পানি নেমে যাওয়ায় এ বছর বেশি জমি রোপন করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও নিয়মিত কয়েকবার বৃষ্টি হওয়ার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় অন্তত দেড়গুণ ফলনের আশা করছেন তিনি।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, গত বছর উপজেলার রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার হেক্টর ধরা হলেও এর চেয়ে অনেক কম জমি রোপন করা হয়েছিল। তবে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৫৫০ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৯ হাজার হেক্টর। বোনা আমন চাষাবাদ হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর।

তিনি আরো জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পরিবেশের ছিল অনূকুল অবস্থান। তাই কৃষকরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে বেশি জমি চাষ করেছেন। তাছাড়া সঠিক সময়ে জমিতে সার এবং কীটনাশক প্রয়োগ করায় আক্রমন করতে পারেনি পোকা। এছাড়াও সরকারি প্রশিক্ষণ মতে কৃষকরা জমিতে সুষম সারের সঠিক প্রয়োগ করেছেন। সবকিছু মিলিয়ে এবার বাম্পার ফলনের আশা করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com